SWAPNAKHEYA : E-MAGAZINE
1st- ISSUE : MAY-2020
SWAPNAKHEYA : E-MAGAZINE
1st- ISSUE : MAY-2020
সম্পাদকীয়,
E-magazine করবার ইচ্ছেটা অনেকদিন ধরে ছিল I কিন্তু বিভিন্ন কারণে তা
সম্ভবপর হয়ে ওঠেনি I একটি নির্দিষ্ট সময়ে আপনাদের লেখা
প্রকাশ করার তাগিদও ভেতর ভেতর কাজ করছিল I লেখা পাঠানোর জন্য
বিজ্ঞাপন দেওয়া হল I লেখাও চলে এলো I লেখা
বাছাইপর্ব সম্পূর্ণ I কিন্তু বেশ কিছু ব্যক্তিগত কারণে তা আর
প্রস্তুত করা সম্ভব হয়ে ওঠেনি I জানি অনেকটাই দেরি
হয়েছে I আমি তার জন্য আপনাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী I কেউ ভুল বুঝবেন না প্লিজ, একটু মানিয়ে নেবেন I দেরিতে হলেও,আমি আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করেছি সংখ্যাটি সাজাতে I ভালো-মন্দ সবটাই আপনাদের হাতে I জানাবেন সংখ্যাটি
আপনাদের কেমন লাগল I
Avijit
Maity
Editor : SWAPNAKHEYA
প্রা
ণ না থ শে ঠ
অবলাকান্ত
সাতে
পাঁচে নেই
অবলাকান্ত
ভীষণ লাজুক স্বভাব
মুখ
ফুটে সে
চায় না কিছুই
যতই থাকুক অভাব l
দোষের
মধ্যে
ভুলো মনের
দেয় না পয়সা খেয়ে
বিশেষ
করে
দামি জিনিস
না বলে নেয় চেয়ে l
এই
তো সেদিন
দুপুর বেলা
পাঁচুর দোকানে গিয়ে
ভাঙতে
না পেরে
ক্যাসের বাক্স
আনল মাথায় নিয়ে l
দাঁড়াও
দাঁড়াও
এইটুকুতেই
কর কেন বাড়াবাড়ি
দরকার
মত নিয়ে
সে বাক্স
ফিরিয়েছে তাড়াতাড়ি l
ভুক্তভুগিরা
যতই বলুক
এটা তার ছলতানি
লোকে
বলে
ফুলিশও নাকি
পায় তার জলপানি l
..................................................................
বিকাশ
চন্দ
সম্মোহন
নিঃশব্দে
বিভাজন প্লাজমা এবং রক্তে
চতুর্দিকে
নীরবতা
নাভিকুণ্ডলী পদ্ম জন্মকলা
তার
ও নীচে আলো বাতি ঘর,
জীবনের
প্রার্থনায় ভেসে যায় জমিন জঠর।
হেঁটে
গেছে যে পথে শরীর সন্তান
মা'ই জানে রক্ত
সেঁচে নির্বিবাদী দুধের দোহন
সাদা
কালো কত না পায়রা দিয়েছে হাওয়া
জানা
ছিল কী জননী সংসার
আল্লার
ঘরে নাকি ঈশ্বরের !
প্রদক্ষিন
কাল বড় বেদনা জ্বলে ওঠে আগুন
নিরাপদ
দূরত্বে রঙিন কাঁচ ঘরে রাজা রানী
ঠোঁট
মুখ নড়ে শব্দহীন অন্য কোন ঘরে
সংসারে
যে টুকু লজ্জা আবরণ
কেবলই
কী সবেদন আত্মার ঘরে !
রক্ত
দুধের সে কেমন বিভাজন জানে
গোপন
সন্ধিকাল, সরল ইচ্ছেরা আতান্তরে---
বুকের
উষ্ণতায় বেড়ে ওঠে সুখদুঃখ নীরবতা
বরনীয়
ধুলো পায়ের কি রঙ বলো
দুটো ঠোঁটে
মরমি সম্মোহন।
..................................................................
কি শ ল য় গু প্ত
কৃষি কথার
আসর
শরীরের
সব ঘাম শুকিয়ে গেলে
মন
থেকে মুছে যায় গত জন্মের পাপ।
ভাঙা
রেডিও'তে
গ্রামীণ সংবাদ শোনো
তারপরই শুরু হবে কৃষিকথার আসর।
বিক্রম
আর বেতালের মাঝে হাঁস ফাঁস
উপনিষদের
একহাজার হিতোপদেশ।
আলতামিরার
গুহায় প্রতিদিন রাখি
সস্নেহ
লালিত কয়েকলক্ষ পরাগরেণু।
একবার
রোয়া কাল শেষ হয়ে যাক-
মনদিয়ে
শুনবো হৃৎপিণ্ডের অবুঝ শব্দ।
এই
ঐতিহাসিক পরিশ্রম সংগ্রহ করি
এবারতো
একটা নবজন্মের কথা বলো।
..................................................................
শি শি
র বি ন্দু দ ত্ত
খনন
কারো
কারো মতে, এক
একটা দুপুরেই খাঁ খাঁ করে শরীর।
আবার
কেউ কেউ মনে করে,
কোনো
এক নিষিদ্ধ জ্যোৎস্না জুড়ে প্রেমতট
হয়ে
ওঠে সামুদ্রিক শৈবাল...
ফসলী
প্রেম থেকে সতেজ পরকীয়া,
আবার
পরকীয়া থেকে প্রাচীন প্রেমের প্রস্তাব
যাকে
বল তোমার আমার মতো মানুষের,
না
কোনো পশুপাখি বা উদ্ভিদের...
মৌনব্রত
আমি সব দ্বিপ্রাহরিক জ্যোৎস্না মেখে
সিন্হেসাইজার
বাজাই,
এক
অন্যরকম নির্জনতা খুঁজে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে
তোমাকেই প্রেমিকা সাজাই।
দে ব প্র সা দ মু খা র্জী
অবৈধ প্রেম
হেঁতালের
কতকাল পুরানো মাচা
শুয়ে
রয়েছে চাঁদের বৈবর্তনিক শরীর
বুক
থেকে শাড়ির আঁচল খসে পড়ে
পূর্ণিমার
গভীরতম রাত।
মিলনের
গন্ধে মর্মর আকাশের খসখসে গা
কামার্ত
বুকের উপর রেখে আসা কবিতার গাছা খুঁটে বেঁধে
গিন্নী
হয়েছ তুমি
এসে
ঠাঁয় দাঁড়িয়েছ আমার অসুস্থ বিছানার পাশে
শীর্ণকায়
হাতে তোমার গাল ছুঁয়ে দেখলেই তুমি কলঙ্কিনী
সম্পর্কের
দাগ লেগে থাকে সধবা কপালের কোণে
শুধু
কিছু শব্দ আলগোছে জমাট বেঁধে তকমাপায়
অবৈধ প্রেমের
সুরের ঘাম
সেই
প্রিয় গানের সুরটা গুনগুন করতে করতে হাঁটছিলাম পাহাড়ী পথের বাঁকে ,
একরাশ
মেঘ বকে দিলো আমায় , চোখ রাঙ্গিয়ে
বলে
প্রেম কই গানে ?
আমি
গান থামাইনি ---- খানিক চুপ করে থেকে আবার গর্জে ওঠে ,
তুমি
আমার আসার খবর পাওনি?
তবু
তুমি ভালবাসবে না সেই চাবাগানের মেয়েটাকে ?
আমি
গান থামাইনি ----- এবার কেঁদে আমাকে ভিজিয়ে দিয়ে বলে ,
থামাও
তোমার গান , আজওটা খালি কবিতা আর গল্পে পাই ,
এরকম
করে গেওনা।
আমি
গান থামাইনি ---- গান আজও গেয়ে যাই !
কোন
গান ? তোমরাও জানতে চাও ?
একটু
কান পেতে শুনো, কয়লার খনিতে, কিম্বা রাস্তার কাজেতে
প্রেম
নয় গানে ঘামের মাদল নেশা আনে।
বৃষ্টি তোমাকে
চেয়েছিলাম
টাপুর
টুপুর বৃষ্টি আসুক
এই
ঘুমোট অস্থির ভাবটা কাটিয়ে
ওটার
জন্যে
হঠাৎ
দেখি এক পশলা বৃষ্টি এলো
মেঘলা
আকাশ সঙ্গী করে
প্রাণ
ভরে নিঃশ্বাস
টাপুর
টুপুর বৃষ্টির সাথে
মেঘের
খেলা
নীল
রং আকাশ এখন, মেঘে ঢাকা কালো
বিবর্ণ
গাছের পাতায়,খুশীর হাসি
সবশেষ
হলে দেখি
জল
ভরা দক্ষিণের বারান্দায়
কোণে
দুটি বৃষ্টি ভেজা
পায়রা ঠকঠক করে কাঁপছে।
..................................................................
রা জে শ্ব রী ষ ড়ং গী
শীতলতা ও অন্ধকারের
ছুরি
অবশেষে
রাস্তা হারিয়ে পিয়ানোর বারান্দায় এসে উঠলো রোদ।
যেভাবে
ঝুলকালো জানালার পর্দা সরিয়ে মাঝে মাঝে মেঘ দ্যাখো তুমি
সেভাবেই
একটা ভেজা কাঠবেড়ালির অনুভূতি
ধপ
করে ঢুকে পড়বে তোমার শরীরে
আর,তার স্পর্শে
জেগে উঠবে অন্ধকার ছুরির মতো শীতলতা।
অথচ,
একটা
বিশুদ্ধ বৃষ্টির দিকে
কতবার- ডেকেছি
তোমাকে।
..................................................................
অ ভি ন ন্দ ন মু খো পা ধ্যা য়
খিদে
সমস্ত
অন্তরীক্ষে মায়ের ধোঁয়া ও ঠামুগডাল লেগে আছে
যেন
এক সোনালি মোড়ক
হ্যাঁ
আমার খিদে পেয়েছে
হ্যাঁ, আমি
খাবো--
এই
ঘৃণা খাবো, এই হিংসা খাবো
মানুষের
ফেলে দেওয়া অবশিষ্ট ভালবাসাটুকু খাবো
আমি
শরীর জুড়ে অন্তরীক্ষ পরে আছি
লোকে
আমাকে উন্মাদ বিজ্ঞানী ভাবছে
ব্ল্যাক
হোল ভাবছে
গন্ধ
উঠছে, মুগডালের গন্ধ
হাজারটা
হাঁ মুখ গহ্বরের ভেতর আমারও একটা আছে
তাতে
জল ঢুকছে, হাওয়া ঢুকছে, ধর্ম বিষ ঢুকছে
হ্যাঁ
আমি খাবো তবু ডাল, খাবো তবু ভাত
যারা
এই হাঁ মুখে পাথর গুঁজে দিতে চাইবে
তাদের
মাথা চিবিয়ে খাবো
..................................................................
অ ঞ্জ
ন দা স
আবহাওয়ার শরীর
খারাপ
লাবণ্য
দরজা খোলে
সূর্যের
ত্বক থেকে নামছে অঙ্কুর
বাতাস
ডানায় উড়ে যায় প্রহেলিকা
বেজে
ওঠে সন্তুর
প্রকাণ্ড
হলের নীরবতা ভেঙে
নামছে
সকাল
পর্দা
সরছে ধীরে
আহা
মিহিতালে ড্রপ খাচ্ছে আলো
মেতে
ওঠে ধাতব দণ্ড দুই
বয়স
জানেনা কেউ কখন পূর্ব ওরা কখন পশ্চিম
দুরন্তে
চাপলো পৃথিবী
প্রসারিত
জানালায় উত্তর পুরুষ এর নাতী
সেও
মন্ত্রী আমাদের আবক্ষ অঙ্গীকার
ছুটছে
দুরন্ত
একশো
আশি টোপ গেলে ছায়া
ছেড়ে
এলে মেঘের গর্জন পেটে ভুট ভাট
সমস্ত
সকালে দীর্ঘ তাকমায় না গুল্ম গুমোট
সন্তুর
বাজে শেখার মন্ত্রে
ক্রমেই
কঠিন হয় রূঢ় বাস্তব লড়াই সাম্রাজ্য
পল
পল চলে যাচ্ছে মিহিতাল
ফিরছে
কখনো যুবক মধ্যবয়সী
ধুলোবালি
মেতে ওঠে রোদের নিশ্বাসে
প্রতীক্ষা
শিকারী হয় গমগম প্রকাণ্ড হলে
কেবলে
সূর্যের
ত্বকে নামেনা অন্ধকার
পর্দা
বোজে
শিল্পী অদৃশ্য হয়
..................................................................
দীপান্বিতা মিত্র
কালিপদ মান্না
ওপাড়ার
কালিপদ
পদবীটা
মান্না
ভালো
ভালো খেতে পেলে
আর
কিছু চান না।।
মাথা
ভরা টাক, আর
গালভরা
ফূর্তি
গোল
গাল চেহারায়
গদগদ
মূর্তি।
বংশ
পরাম্পরায়----
আলুর
ব্যবসাটা
ধ'রে নিয়ে বেশ
আছেন
আরামকেদারা-টায়
ব'সে ব'সে পা দোলান
নেই
কিছু কাজ আর।
হিসাব –নিকাশে
তাঁর
মাথাটা
পরিস্কার।।
দিন
যায়, দিন আসে
বছর
পেরিয়ে যায়,
শ্লোগানের
দাঁড় বেয়ে
ভোটাভুটি
শুরু হয়।
একদিন
দেখি সেই
কালিপদ
মান্না
একদল
লোক সাথে,
হাসি
আর ধরে না!
কি
ব্যাপার !! না বুঝে
আমি
পড়ি বিপাকে
পাশের
দেওয়ালেতে
চোখ
গেল আটকে।
"নতুন যুগের দিন
আর
বেশি দেরিনা
আসছে
ত্রিশূল হাতে
কালিপদ মান্না "।।
মা ন সী মি শ্র হা ল দা র
একটি প্যাসেঞ্জারের
অপেক্ষায়
উত্তপ্ত
দুপুরে খাঁ খাঁ রোদ্দুরে
বসে
থাকে ভ্যানওয়ালা
একটি
প্যাসেঞ্জারের অপেক্ষায়।
বুকের
কাছটা ভার হয়ে আসে
মাথায়
প্রচন্ড উত্তাপ
চোখের
চাহনিতে সংসারের চাপ
তবু
বসে থাকে লোকটি
একটি
প্যাসেঞ্জারের অপেক্ষায়।
দ্রুত
ছুটে আসা
বাড়ি
ফেরার চাকরিওয়ালা
ভ্যানে
বসে পায় অপার-শান্তি।
ঠোঁটে
মৃদু হাসি
ভ্যানওয়ালা
চালায় ভ্যান
দুটো
পয়সার আকাঙ্খায়।
অতিদ্রুত
পৌঁছিয়ে তাকে
ফেরে
আবার স্ট্যান্ডে-
বসে
থাকে লোকটি
একটি
প্যাসেঞ্জারের অপেক্ষায়।
নি স র্গ নি র্যা স মা হা তো
১. হাপ্রেম
না ছোঁয়া অভিমান আয়ান
অন্যদিকে সামাজিক উপেক্ষা শ্যাম
ঠিক তত যতখানি শূণ্য কলস-জলে
অপেক্ষাটুকু।
পূর্বরাগের মতো লজ্জা রাঙা স্নানামেজ
নৌকা বিহারের তিফোর্সটুকু
প্রতি প্রেম এনে দেয় আচমিক ভাবে।
২. ভয়
এ প্রগতিশীল দেশ বড়ো অচেনা
যুঝে উঠতে ভয়, সাঁতরাতে গিয়ে
সহজে পারি না, নব্যতী কম
নদী মাতৃকার প্রতি গতিপথে রক্তের স্রোত
জমাট বাঁধা অস্থির স্তূপ
এদেশ আমার নয়।বড় ভয় হয়।
ল ক্ষ্মী কা ন্ত ম ণ্ড ল
সাইলেন্স জোন
শাকান্নের শব্দে পাখিরা ঠুকরে খায় বাঁশির
যন্ত্রণা
আর কিছু নেই সে পথে , বলবার মতো
সংশয় -
নিঃশব্দে বেঁচে থাকার হাওয়া জড়িয়ে ধরে কোমর
বস্তুত কি আর বলার থাকে ; বিপন্ন জলের
ভেতর
হাওয়ারা পাগলামি করে চুপি চুপি অসুখের কোলাহলে
বাইরে দাঁড়িয়ে আজ অনেক উদাসীন পার্থিব ভোরবেলা
খুলে যায় কামনা আর শুভ্র পোশাকের অতল মানব
এখনো ভিক্ষু আমি পঙক্তি সাজাই দীর্ঘ জাগরণ -
যে তুমি চলে যাও মুঠো মুঠো পথের মায়া ফেলে
আমি তার ছবি তুলে পাঠিয়ে দেই ইথার বাতাসে
সেও নিপাট নারী আলু থালু ব্যস্ততায় উড়ায় আঁচল
কুর্চি ফুলের মাঝে হেঁটে যায় অর্জুন, একনিষ্ঠ বালক
তি য়া সা দ ত্ত
এও এক অপেক্ষা
দূরে ঐ নদীর কাছে ঋণ ছিল না কোনো
তবু তার শরীরেই অমোঘ ছুঁয়ে ফেলার দাগ!
উপশমের বিনিময়ে রাত নগ্নতা বেচেছে কেবল,
নিরুদ্দেশের স্টিমারে তাই রেখে এসেছি...শেষ
কাঠগোলাপ।
ফেলে আসা অববাহিকায় আজকাল অসংখ্য ট্যুরিস্টের ভিড়;
ক্রেয়নের যত রঙ মুছতে পারেনি তার দগদগে ধূসর।
কম্পাসের উত্তর মেরুর মতো ধ্রুবক, আর
হতে পারলাম কই!
সন্ধের দেওয়ালে এখন শুধু, সূর্যাস্তের বিকিয়ে
যাওয়ার গল্প।
প্রেমিক,এই এঁটো শরীর একবারও কী ভালোবাসোনি তুমি?
নিরুত্তরের স্তব্ধতায় মিশিয়ে দিয়েছি ফেরার টিকিট,
খুঁজলে সিন্ধুর অতলে পেতে পারো, আমার
অস্তিত্ব।
এভাবেই ইতিহাস হয় সম্পর্ক...হয় জীবাশ্ম
মুছে যাওয়া এপিটাফের চিৎকার শুনতে শুনতে, ঘুমিয়ে
যায় ভালোবাসা...
পড়ে থাকে কিছু শব্দের শরীর, কবিতারা দোল খায়
বাতাসে
আর আমি, জন্মান্তরের অপেক্ষায় বুনে চলি
রোদেলাগল্প।।
সু শো ভ ন ব ন্দ্যো পা ধ্যা য়
সমর্পণ
ভাসমান শব্দেরা চেয়ে আছে সাগরের তীরে
ধীরে বন্ধু ধীরে
এখনি নোঙর ফেলে দিয়োনা
এখনো অনেক বাকি
কত কথা আসে যায়
জোয়ার ভাটায়
যে কথা থিতিয়ে যায় চরে
সে কথায় কবিতা বসত করে...
..................................................................
ঋ জু লে খা দ ত্ত
উড়ান
হঠাৎ নেমে এলো কিছু অন্ধ আলো
সারি-সারি রাজপথ ভীড় এলোমেলো
ললাট টিকা দেয়নি প্রত্যাশার ভোর -
লাঠিকেই ব্ন্ধু জেনেছে
অপাপবিদ্ধ !
তবুও ষোড়শী বাতাসে
কিছুটা
মায়া লেগে আছে ,
নিভু
আঁচে সেঁকে নিলো
পালকের ভাঙা ডানা
সুখ ..
আঙুলের প্রত্যাশী কোনদিনই নই
ভয় বেচে কিনে আনি কিছু সাদাখই ,
উড়াই আকাশে নির্ভুল বেঁচে থাকা
ইহকাল পরকাল ঋণ কেন রাখা ??
..................................................................
শু ভ ঙ্ক র বে রা
সৌমিকে পাঠানো চিঠি
সৌমি আমার বন্ধু, শুধু
ভালো বন্ধু
বি.এড কলেজে আমরা একসাথে পড়তাম
রোজ বেঞ্চে মাথা দিয়ে ক্লাসে দিতাম ঘুম
আড্ডা আর হাসিতে ভরা থাকত আমাদের ক্লাসরুম ।
কোথায় যেন হারিয়ে গেল
সম্পর্ক থেকে বন্ধুত্ব
জীবনটাই ছেড়ে চলে গেছে
তবু আমি জীবন্ত ।
ছেড়ে গিয়েছো অনেকদিন আগে
তাকাওনি আর পিছন ফিরে
আমি বেশ ভালোই আছি
তোমার স্মৃতিগুলোকে ঘিরে ।
ইচ্ছে গুলো আজও তোমায় খোঁজে
লিকার চা আর নিকোটিনে
হৃদয় মস্তিস্ক আগেই জানতো
এখন ফুসফুসটাও জানে ।
তুমি আবহাওয়া হতে পেরেছো
বদলে গিয়েছো হটাৎ করে
আমি অসহায় পরিবেশে
মানিয়ে নিয়েছি নতুন করে ।
....................................................................................................................................
Editor : Avijit
Maity
Contact :
7501873226
Email us :
swapnakheya@gmail.com
Website : www.swapnakheya.blogspot.com
Reviewed by Avijit Maity
on
May 09, 2020
Rating:


প্রথম সংখ্যা থেকেই অসাধারণ । শুভ কামনা ।
ReplyDelete